
হিমাচলপ্রদেশে বাসন্ধন গ্রামে ভাই বোন এবং মেহলায় ধসে দুই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। ইরাবতী নদীর জলে ভেসে গিয়েছে চাম্বা জেলার আস্ত একটা গ্রাম। বাসন্ধন গ্রামে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে পাথর গড়িয়ে পড়া দেখতে বাড়ি থেকে বেরোয় এক ভাই-বোন। সেই সময় পাহাড়ের ঢাল ভেঙে যাওয়ায় জীবন্ত চাপা পড়ে দু’জনই।
প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা কবলিত জেলা থেকে আরও দুই বাসিন্দার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এর আগে মণি মহেশ যাত্রার সময় দোনালির কাছে পাথরের আঘাতে ছয় তীর্থযাত্রী আহত হন। তাদের প্রথমে ভারমৌর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে বিমানে চাম্বা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একটানা বৃষ্টিতে বেড়েছে নদীর জল। ইরাবতী নদীর জলে সম্পূর্ণ ডুবে রয়েছে ভারমৌর বিধানসভা অঞ্চলের সালোন গ্রাম।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন গত তিন দশকে তারা ইরাবতী নদীকে কখনও এত ভয়ঙ্কর রূপে দেখেননি। গত ২০ জুন থেকে, হিমাচলজুড়ে বৃষ্টিপাতের ঘটনায় অন্তত ১৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ ৩৮ জন। হিমাচল প্রদেশে এখনও পর্যন্ত ৯০টি আকস্মিক বন্যা, ৪২টি মেঘ ভাঙা বৃষ্টি এবং ৮৫টি বড় ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে।








