
অমরাবতী মাঠ দখল করে প্রোমোটিংয়ের অভিযোগ উঠতেই পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায়কে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফোনে মলয় রায়কে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের কথা জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।
কিন্তু কেন তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে তা বুঝতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন মলয় রায়। তাঁর দাবি চক্রান্তের শিকার হয়েছেন তিনি। বেশকিছুদিন ধরেই অমরাবতী মাঠ দখল করে প্রমোটিংয়ের অভিযোগ ঘিরে চেয়ারম্যান মলয় রায়কে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। নাগরিক পরিষেবা থেকে প্রোমোটিংয়ের জন্য মাঠ বিক্রিতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি ৮৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত অমরাবতী মাঠ, জলাভূমি দখল করে প্রোমোটিং হচ্ছে চেয়াম্যানের মদতে। এই খবর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যেতেই তাঁর নির্দেশে রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে। এদিকে ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক দাবি করেন জমিটি সরকারের তরফে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। সাত দিনের মধ্যে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে নোটিস দেন মহকুমাশাসক। এরপর শনিবার পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায়কে ফোন করে ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করতে বলেন। কিন্তু শনি, রবি, সোমবার কেটে গেলেও পদত্যাগ করেননি মলয় রায়।
সোমবারও পুরসভায় কাজ করেন তিনি। তাতেই মঙ্গলবার ফের মলয় রায়কে ফোন করেন ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করতে বলেছেন।






