
দল যখন বড় হয়, তখন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব স্বাভাবিক। মালদায় তৃণমূল কর্মী খুনে এমনই মতপ্রকাশ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর কথায়, পরস্পরের মতামত না মিলতেই পারে। কিন্তু দলকে কেউ দুর্বল করতে চাইলে, তার ছাড় নেই। কেউ দলের শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে নয়। মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে নির্বাচিত করেছেন। তাই মানুষের কাছে বিনয়ী হতে হবে, কর্মীদের সেকথা বুঝতে হবে। মানুষের কাছে হাতজোড় করে থাকতে হবে। অভিষেক বলেছেন, তৃণমূলের এক বুথস্তরের কর্মীকেও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। দলের সম্পাদক হিসেবে তাঁকেও সেই একই শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। শৃঙ্খলাপরায়ণ হয়েই দল করতে হবে। কিছু লোক ধরাকে সরা জ্ঞান করে নিজেদের কেউকেটা ভাবেন। আগামী দিনে তাঁদের জন্য তৃণমূলের দরজা কিন্তু বন্ধ থাকবে। যাঁরা ভাবছেন, এলাকা দখল করে মৌরসি পাট্টার মতো দল চালাব, তাঁদের কিন্তু কপালে বিপদ আছে। এই একই ভুল সিপিএম করত।
একই ভুল বিভিন্ন জেলায় বিজেপি করেছে। তৃণমূল মানুষের দল। তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেসের বেসিক পার্থক্য রয়েছে।অভিষেক জানান, সন্দেশখালি থেকে আরজি কর, কম কুৎসা হয়নি। তার পরও মানুষ তৃণমূলে ভরসা রেখেছেন।









