
কাশ্মীর উপত্যকার মতোই গত কয়েক দিন ধরে হিমাঙ্কের নীচে রয়েছে হিমাচল প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। বর্ষশেষে বরফের চাদরে ঢেকেছে উঁচু পার্বত্য অঞ্চলগুলি।
এর মধ্যেই মানালীর কাছে সোলাং উপত্যকা এবং অটল সুড়ঙ্গের রুটে আটকে পড়েছিল অন্তত ২ হাজারেরও বেশি গাড়ি। মানালী পুলিশের ডেপুটি সুপার কেডি শর্মা জানিয়েছেন, বরফ সরিয়ে বেশির ভাগ গাড়িকেই গন্তব্যের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বর্ষশেষের রাতে শিমলা, মানালী-সহ হিমাচলের বেশির ভাগ এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা কম। আগামী কয়েক দিন কিছুটা হলেও উঠবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ। তবে আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে একটি পশ্চিমি কক্কার শক্তি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ওই সময়ে হিমাচল জুড়ে বৃষ্টি এবং প্রবল তুষারপাতের আশঙ্কা থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। জম্মু-কাশ্মীরেও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজস্থানের বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে ঘন কয়াশার খবর পাওয়া গিয়েছে। পাঞ্জাব, হরিনা, উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন।
অংশে ঠাণ্ডা পড়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, গিলগিট-বালতিস্তান, মুজাফফরাবাদ এবং হিমাচল প্রদেশের বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।









