
সাধারণতঃ বলা হয় প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার করা হলুদ শুধু খাবারের স্বাদ ও রং বাড়ায় না, বরং হার্টের জন্যও কাজ করে ঢাল হিসেবে। কার্ডিওলজিস্টরা জানিয়েছেন, হলুদের ভেতরে থাকা বিশেষ উপাদান হৃদরোগ প্রতিরোধে বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে আমাদের রান্নাঘরের অনেক সাধারণ উপাদানই আসলে সুপারফুড। তার মধ্যে অন্যতম হলো হলুদ। প্রতিদিন ভাত, সবজি বা ডালে সামান্য ব্যবহারেই এটি শরীরকে উপকার দেয়। গবেষণা থেকে জানা যায়, হলুদের সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন হৃদযন্ত্রকে নানা দিক থেকে সুরক্ষা দেয়।সেইসঙ্গে প্রদাহ কমায়, ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অন্যতম কারণ প্রদাহ। কারকিউমিন প্রদাহ কমিয়ে রক্তনালীকে রক্ষা করে।খারাপ কোলেস্টেরল বা,এল ডি এল হ্রাস করে এবং ধমনিতে প্লাক জমা প্রতিরোধ করে।সেইসঙ্গে রক্তপ্রবাহ উন্নত করে: রক্তনালীর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে সারা শরীরে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে।আবার,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, হৃদপেশী ও কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। বলা হয় উদ্ভিজ্জ খাবারে সমৃদ্ধ খাদ্যতালিকায় হলুদ যোগ করলে ক্যানসার ও হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক হয়।
শুধু হৃদরোগ নয়, হলুদ উপকারী,অস্টিওআর্থ্রাইটিসে,চোখের অবক্ষয়জনিত রোগে, মেটাবলিক সিনড্রোমে, হাইপারলিপিডেমিয়ায় অর্থাৎ রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল,উদ্বেগ ও মানসিক চাপে, ব্যায়ামের পর পেশির ব্যথায়,কিডনির স্বাস্থ্যে।আসলে,হলুদ কোনো ওষুধ নয়, তবে প্রতিদিনের খাবারে ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে হৃদয়ের সুরক্ষা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে আপনার হৃদয় অমূল্য—একে রক্ষা করুন।









