
ভাজা খাবার, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর দুশ্চিন্তার কারণে গ্যাস্ট্রিক এখন ঘরে ঘরে পরিচিত সমস্যা। ওদিকে বুক জ্বালাপোড়া করলেই চট করে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ফেলা হয়।
কিন্তু নিয়মিত এভাবে ওষুধ খাওয়া লিভার বা কিডনির জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। অথচ প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস বদলে ফেললেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।এখন প্রশ্ন হলো কেন হয় গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি? উত্তর হলো,পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ড থেকে যখন অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ হয়, তখনই অ্যাসিডিটি দেখা দেয়। এর মূল কারণগুলো হলো,দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা,অতিরিক্ত চা, কফি, ধূমপান বা মদ্যপান।অনিদ্রা ও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার অতিরিক্ত খাওয়া।এই অবস্থায় গ্যাস্ট্রিক কোনো বেলার খাবার বাদ দেবেন না।বিশেষ করে রাতের খাবার ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। একবারে অতিরিক্ত না খেয়ে অল্প পরিমাণে বারবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করুন।সেইসঙ্গে অতিরিক্ত রসুন, লবণ, তেল ও মরিচযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সাইট্রাস ফল,টক জাতীয় ফল অতিরিক্ত খাবেন না।আর,ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন।অন্যদিকে,পুদিনা পাতা,হজম শক্তি বাড়ায় এবং বুক জ্বালাপোড়া কমায়। কিছু পুদিনা পাতা জলেতে ফুটিয়ে সেই জল ঠাণ্ডা করে পান করলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।ওদিকে খাওয়ার পর মৌরি চিবিয়ে খেলে পেট ফাঁপা ও বদহজম রোধ হয়। এ ছাড়া সারারাত মৌরি ভিজিয়ে রাখা পানি সকালে খালি পেটে খেলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।এবং,টকদইয়ের ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমতে বাধা দেয়।
এর ল্যাকটিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। ভালো ফলের জন্য টকদইয়ের সাথে সামান্য গোলমরিচ মিশিয়ে নিতে পারেন।









