
বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে প্রথম দফার ভোটে কার্যত সর্বকালীন রেকর্ড ভোট পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সন্ধে ৬ টায় ভোট শেষ হতে কমিশন জানায় রাজ্যে ৯১ দশমিক ৪ শতাংশ পড়েছে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানও চমকে দেওয়ার মত।
দক্ষিণ দিনাজপুরে ৯৪ শতাংশ, কোচবিহারে ৯৩.৭৩ শতাংশ, বীরভূমে ৯৩ শতাংশ, জলপাইগুড়িতে প্রায় ৯২ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৯০ শতাংশ, মালদায় ৯১ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ৯২.৫৫ শতাংশ। দেশে ভোটদানের হারের নিরিখে অসমে ৮৫.৩৮ শতাংশ, পুদুচেরিতে প্রায় ৯০ শতাংশ। বলাই বাহুল্য কার্যত এই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গ। এর আগে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১-য়। ওই বছর ভোটদানের হার ছিল ৮৪ শতাংশ। ২০২-র লোকসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮০ শতাংশ। ফলে সেই রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন। প্রথম দফার ভোট দিয়েছেন সব পক্ষের হেভিওয়েট প্রার্থী, নেতারা। সেই তালিকায় রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, অধীর চৌধুরি, অনুব্রত মণ্ডল, অগ্নিমিত্রা পাল, চন্দ্রনাথ সিনহা, সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, অশোক ভট্টাচার্য, গৌতম দেব, শঙ্কর ঘোষ ভোটে নজর টেনেছেন অরিজিৎ সিং। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন গায়ক।
দুবরাজপুর, নওদা, কুমারগঞ্জ, লাভপুর দফায় দফায় উত্তপ্ত হলেও গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বলেই মনে করছেন জ্ঞানেশ কুমার। এজন্য সিইও মনোজ আগরওয়ালকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি।







