
বালি দুর্নীতির তদন্তে মেদিনীপুর, গোপিবল্লভপুরে ইডির হানায় লাখ লাখ টাকা উদ্ধারের পরেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর অভিযোগ তৃতীয়বার তণমূল ক্ষমতায় আসার পর ওয়েস্টবেঙ্গল মিনারেল ডেভালপমেন্ট কর্পোরেশনকে তুলে দেওয়া হয়েছে।
আগে ডব্লুবিএমডিটিসিএল-র মাধ্যমে বালি খাদানের টেন্ডার দেওয়া হত। কিন্তু পুরো সিস্টেমকে সেন্ট্রালাইজ করার কারণ দেখিয়ে এই কর্পোরেশনকে তুলে দেওয়া হয়েছে। ১৯৭১-৭২ সালে তৈরি এই সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চেয়ারম্যান দুটো পদ ছিল। কিন্তু বিশেষ কারণ দেখিয়ে ম্যানেজিং কাম চেয়ারম্যান নামে একটাই পদ করা হয়েছে। সেই পদে আইএস মোহন গান্ধীকে বসানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ এই অফিসার নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিদেশে একাধিক সম্পত্তি করেছেন। বালি দুর্নীতির টাকা বিদেশে পাচারের চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার।
মেদিনীপুরে বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বাড়ি থেকে ৬৪ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে গোপীবল্লভপুরে ডিডি মাইনিংয়ের কর্মী শেখ জহিরুল আলির বাড়ি থেকে ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা।









