
নেইমার জুনিয়রের মনোবল,ক্যারিয়ারজুড়ে একের পর এক চোটের থাবায় বিপর্যস্ত হয়ে ওঠেছিল। প্যারিস থেকে আল হিলাল,সেখান থেকে সান্তোস চোট যেন পিছুই ছাড়ছিল না ব্রাজিলিয়ান মহাতারকার।
শেষ হাঁটুর চোটের পর নাকি অবসরের কথাও ভেবেছিলেন ফুটবলার নেইমার। ব্রাজিলের হয়ে খেলার সময় ২০২৩ সালের অক্টোবরে এসিএল ও মেনিস্কাসের চোট পান নেইমার।এরপর থেকে আর কখনোই পুরোপুরি ফিট ছিলেন না নেইমার। আল হিলালে চোটের থাবায় নিজেকে যখন হারিয়ে খুঁজছেন, তখন সব ঠিক করে বিশ্বকাপের পথে যেতে ফিরেছিলেন শৈশবের ক্লাব সান্তোসে। এখানে এসেও মুক্ত হতে পারেননি চোটের হানা থেকে। শেষ পর্যন্ত চোট নিয়েই সান্তোসকে অবনমন থেকে রক্ষা করেন তিনি।এসময়ই ভেবেছিলেন অবসরে যাওয়ার কথা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার বাবা ও এজেন্ট নেইমার সিনিয়র বলেছেন,মেনিস্কাসে চোট পায় নেইমার, আমরা তার সঙ্গে কথা বলার আগেই ওই খবর ফাঁস হয়ে যায়। তখন তার মাথা কাজ করছিল না। এতকিছু সামলানো কঠিন হয়ে যায়।আমি আমার ছেলের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞেস করি, তো এখন তুমি কেমন আছো?উত্তরে নেইমার আমার দিকে ঘুরে বলে, আমি আর নিতে পারছি না। অস্ত্রোপচার করে ফেলি। বাবা, আমি জানি না অস্ত্রোপচারে কাজ হবে কিনা। যথেষ্ট হয়েছে।তবে ভেঙে না পড়ে নেইমারকে মাঠে জবাব দিতে বলেন তার বাবা। শেষ পর্যন্ত সান্তোসকে অবনমন থেকে রক্ষা করে অস্ত্রোপচার করান নেইমার।
আশা করা হচ্ছে চলতি মাসের শেষ দিকে মাঠে ফিরতে পারবেন নেইমার। এরপর তার সামনে থাকবে ২০২৬ বিশ্বকাপে আনচেলত্তির ব্রাজিলে জায়গা করে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।









