
তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। এ বার সেই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন জ্যোতিষপীঠের শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী।
যদিও তাঁর দাবি, এ বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনও নোটিস পাননি, তারা কোনও যোগাযোগও করেনি। পুলিশ নোটিস দিতে এলে তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন শঙ্করাচার্য।
বিশেষ পকসো আদালতের নির্দেশের পরই প্রয়াগরাজের ঝুঁসি থানায় এফআইআর দায়ের হয় শঙ্করাচার্য এবং তাঁর শিষ্য মুকুন্দানন্দ গিরির বিরুদ্ধে। এফআইআরে দাবি করা হয়, শঙ্করাচার্য, তাঁর শিষ্য এবং আরও দুই থেকে তিন জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গত এক বছর ধরে নাবালকদের যৌন হেনস্থা করেছেন। তবে শঙ্করাচার্যের পাল্টা দাবি, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।









