
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের নামে জোর করে পর্ন ভিডিও, দেবব্যবসা নামানোর অভিযোগ উঠেছে ডোমজুড়ের শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি ও তাঁর ছেলে আরিয়ানের বিরুদ্ধে। সোদপুরের তরুণী ৫ মাস পর তাঁদের খপ্পর থেকে পালিয়ে আসতেই প্রকাশ্যে এসেছে বিষয়টি।
তবে ঘটনা জানাজানি হতে এলাকাছাড়া মা-ছেলে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে নির্যাতিতা তরুণীকে। এরইমধ্যে এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। তরুণীর মায়েরও দাবিগত বছর মেয়ের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় আরিয়ানের সঙ্গে। এরপর কাজের নাম করে নিয়ে গিয়ে খারাপ কাজে নামাতে চেয়ে অত্যাচার শুরু করে। মেয়েকে দিয়ে পর্ন ভিডিও বানাতে চেয়েছিল শ্বেতা ও তাঁর ছেলে। রাজি না হওয়ায় লোহার রড দিয়ে মার। সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হত। চুলও কেটে দেওয়া হয় তরুণীর। চিৎকার যাতে বাইরে যেতে না পারে সেজন্য লাউডস্পিকার বাজানো হত। পুলিশ সূত্রে খবর আরিয়ান এবং তাঁর মা আরিয়ান ইশারা নামে একটি প্রোডাকশন হাউসের আড়ালে পর্ন ভিডিও বানাত। স্থানীয়রাও জানিয়েছেন শ্বেতা ওরফে ফুলটুসি বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাতবিরেতে লোকজন আসত তাদের ফ্ল্যাটে। পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে পাড়ার কয়েকজন ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দেয় শ্বেতা ও তার ছেলে। এদিকে নাজিবগঞ্জের ব্যবসায়ী মাসুদ আলম গানের অভিযোগ আরিয়ানের বোন মা-দাদার কীর্তি জানতে পেরে আত্মহত্যা করেছে।
তিনি জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে এবং আরিয়ানের বোন ইশিকা একসঙ্গে পড়াশোনা করত। বোনকেও খারাপ পথে নামতে বাধ্য করেছিল তাঁবা। এই ঘটনার পর তার কাছে এক কোটি টাকা চেয়েছিল শ্বেতা খান। টাকা না দিলে ছেলেকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল।









