
প্রয়াত হয়েছেন প্রবীণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। রবীন্দ্রসংগীতের ইতিহাসে তাই অর্ঘ্য সেন শুধুই একজন শিল্পী নন, তিনি এক অনুভূতির নাম। ১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের ফরিদপুরে মামার বাড়িতে জন্ম তাঁর। আদি বাড়ি খুলনার সেনহাটি গ্রামে। বাবা হেমেন্দ্রকুমার সেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক, মা বিন্দুদেবী সঙ্গীতপ্রেমী। মায়ের কাছ থেকেই সঙ্গীতের প্রথম আলো ছুঁয়ে যায় অর্ঘ্য সেনকে। ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে বেড়ে উঠলেও পড়াশোনাকে কখনও অবহেলা করেননি তিনি। শৈশব কেটেছে ফরিদপুরেই। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা, তারপর জীবনের টানে কলকাতায় আসা। বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ। এরপর সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি দায়িত্বশীল কর্মজীবনও সমানতালে এগিয়েছে। দিনের শেষে, কর্মব্যস্ততার মাঝেও গান ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী।
রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে তাঁর আজীবন চর্চার স্বীকৃতিতে ১৯৯৭ সালে তিনি পান সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।








