
শিক্ষা ব্যবস্থায় রাজ্যকে কার্যত তুলোধনা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর দাবি এরাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
এখানে যোগ্য শিক্ষকদের ঠিকানা হয় রাস্তায়। একদিকে নিজের চাকরি পেতে লড়াই আন্দোলন করতে হয়। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় মেলে। স্বাধীনতার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে শিক্ষকরা সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। কলকাতায় শিক্ষক সমাবেশে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেছেন এরাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাতৃভাষা বাংলায় পড়াশোনার কথা বলা আছে জাতীয় শিক্ষানীতিতে। কিন্তু বাংলার সরকার বাংলা ভাষায় পড়াশোনা করতে দিতে চায় না। স্কিলড এডুকেশন কথাও বলা আছে জাতীয় শিক্ষানীতিতে। এতদিন জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হলে এতদিনে ১০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হত শিক্ষার উন্নয়নে। কিন্তু সেই টাকা থেকে বঞ্চিত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরাজ্যে ৪ হাজার স্কুলে কোনও শিক্ষক নেই। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের দাবি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষকশূন্য স্কুল রয়েছে বাংলায়। দেশের ৭০ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট থাকলেও বাংলার ১৬ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট রয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ স্কুলে এআই চালু করতে চায় না রাজ্য সরকার। এখানে যোগ্য শিক্ষকদের ঠিকানা হয় রাস্তায়। শিক্ষকদের ডিএ থেকে বঞ্চিত করা হয়। তিনি আরও বলেছেন বারবার বলা সত্ত্বেও এখানে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করা হচ্ছে না।
ধর্মেন্দ্রপ্রধান আরও বলেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য টাকা বরাদ্দ হলেও নেয়নি রাজ্য সরকার। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই শিক্ষক এবং পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।








