
নবান্ন অভিযানের নামে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অরাজকতা হয়েছে। আক্রমণ করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি শুভেন্দু অধিকারীর উস্কানিতে মার খেয়েছে পুলিশ।
সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর করা যাবে না নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদের দাবি এই রায়ের জন্য পরপর অপরাধমূলক কাজ করে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা পিগ সন বলে তাদেরকে বাংলা থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা উচিত। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেলে ভরা উচিত। পাল্টা আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার। হাইকোর্টের ওপর বেনজির আক্রমণ, তৃণমূলের কোনও থার্ড গ্রেডের নেতাও করেননি।
পুলিশকে দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করানো উচিত বলে আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।







