
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপশাসনে সারা রাজ্যে তোলাবাজি এখন চপ শিল্প কে ছাড়িয়ে সব থেকে বড় শিল্প হয়ে উঠেছে। প্রাতিষ্ঠানিক তোলাবাজির যদি আইনি গ্রহনযোগ্যতা থাকতো তাহলে রাজ্যের কর আদায় কাঠামোর সব থেকে ওপরে স্থান করে নিতো তোলাবাজির উৎস।
এক্স পোস্টে এমনই কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু আরও লিখেছেন, রাজ্যের যে কোনও জাতীয় বা রাজ্য সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে দেখতে পাওয়া যায় পুলিশ নিজে তোলা তুলছে, নয় সিভিক ভলান্টিয়ার তোলা আদায় করছে। এদের আদায়ের বহর আঞ্চলিক পরিবহন অফিসের থেকেও কয়েক গুণ বেশি হবে। রাজ্যের যত্র তত্র, যে কোনও রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র সব সঠিক থাকলেও সাধারণ মানুষকে তোলা দিতেই হবে, সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ।
কেউ তোলা দিতে না চাইলে তাকে হেনস্থার সম্মুখীন হতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে।






