
স্বামীর রক্তাক্ত দেহ তাঁর ওপরে এসে পড়ে। আর জি করে ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন মৃত অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীর। তিনি জানিয়েছেন সেদিন লিফটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ওপরে ওঠার পরিবর্তে নিচে নামতে শুরু করে।
নির্দিষ্ট তলায় দাঁড়ায়নি। তারপর হঠাৎ দ্রুত নেমে যায় লিফট। সেখানে গিয়ে দাঁড়ায় ও গেট কিছুটা খোলে। কিন্তু সেখানেও বেরনোর পথ নেই। সামনে লোহার গেট। তাতেও তালা। ভয়ে হেল্প হেল্প বলে চেঁচালেও কেউ আসেননি। সেই সময় তাঁরা কার্যত স্নায়ুর জোর হারিয়েছিলেন। কী করা উচিত বুঝতে পারছিলেন না। ভরসা করে লিফটের মধ্যে থাকতেও পারছিলেন না। যদি লিফটের দরজা আর না খোলে সেই আশঙ্কাও করছিলেন। এদিকে সামনে ও সংকীর্ণ জায়গা। এই সময়ই হঠাৎ আচমকা দরজা বন্ধ হয়ে লিফট উপরে উঠতে শুরু করে। টাল সামলাতে না পেরে সেই সময়ই মা-ছেলে গর্তে পড়ে যান। কিন্তু আটকে পড়েন তাঁর স্বামী। তিনি আর ছেলে তখন গর্তে, আর লিফটে আটকে ঘষটাতে ঘষটাতে ওপরে উঠতে থাকেন অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুঝতে পারেন লিফটা ওঠানামা করছে আপনা থেকেই। তার কিছু পরেই কোলে এসে পড়ে তাঁর স্বামীর রক্তাক্ত নিষ্প্রাণ দেহ। স্বামী মারা যাওয়ায় মারাত্মক ট্রমা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী। আক্ষেপের সুরে বলেছেন সেকেন্ডের মধ্যে সব শেষ।






