
বর্তমানে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের অতিরিক্ত ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে ভুল খাদ্যাভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, এমনটাই বলছেন চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা। তাদের মতে, শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি ওমেগা-থ্রি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম।
এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের আশঙ্কা বাড়াতে পারে।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, প্রক্রিয়াজাত মাংস, বেকারি আইটেমসহ ট্রান্স ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায়, যা ধমনীতে ব্লকেজ তৈরি করে। পাশাপাশি মিষ্টি পানীয়, সাদা রুটি ও পেস্ট্রি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি আরো বাড়ায়।প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, আচার ও সসেজে থাকা অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বৃদ্ধি করে, স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, লবণ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত, আর সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণে নারকেল জল, ডাল ও পালংশাকের মতো খাবার রাখা উচিত দৈনন্দিন ডায়েটে।এর বাইরে অনেক পুষ্টিবিদ পরিশোধিত তেলের বদলে সরিষার তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
কেউ কেউ আবার বলেন, তেল যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ভালো। পরিবর্তে ডায়েটে রাখতে হবে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যেমন প্রতিদিন ২টি আখরোট, সামান্য ফ্ল্যাক্সসিড ও চিয়া বীজ, যা ওমেগা-থ্রি সরবরাহ করে।পাশাপাশি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে বিশেষজ্ঞরা অ্যালকোহল কমাতে এবং পর্যাপ্ত জল পান করতে বলেন, যাতে শরীরে টক্সিন জমে না ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারে ফল, শাকসবজি, বীজ ও বাদাম রাখলে হৃদপিণ্ড ও মস্তিষ্ক উভয়ই সুস্থ থাকে।পাশাপাশি পরামর্শ- একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত খাওয়া শরীরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।









