
পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে, এ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ইন্টারনেট ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে বিষয়টি আন্দোলনকারীদের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগ,বাংলাদেশের প্রাক্তন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের মতোই যেন একই পথে হাঁটছেন পাকিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী শাজা ফাতিমা খাজা।যদিও পাকিস্তানজুড়ে ইন্টারনেটে ধীরগতির জন্য সরকারের কোনো হাত নেই বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী শাজা ফাতিমা খাজা।তিনি জানিয়েছেন,ভিপিএনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণেই ইন্টারনেটের গতি কমেছে।উল্লেখ্য সম্প্রতি প্রদেশটিতে লাখ লাখ মানুষের বিশাল বিক্ষোভ হয়েছে।কারাবন্দী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ জোরালো হচ্ছে। এর মধ্যে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।মানবাধিকারকর্মী এবং ব্যবসায়ী নেতারা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।এতে ভঙ্গুর অর্থনীতি আরো সংকটের দিকে যাবে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।বিষয়টি এরই মধ্যে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।একটি আইটি অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে,জুলাই থেকেই পাকিস্তানে ইন্টারনেটের গতি ৪০ শতাংশ কমেছে।যেখানে লাখ লাখ মানুষ হোয়াটসঅ্যাপে নথি, ছবি এবং ভয়েস নোট ব্যবহার করেন, তাঁরা সমস্যায় পড়ছেন।অন্যদিকে,সম্প্রতি বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় কয়েকদিন বন্ধ ছিল ইন্টারনেট।









