
ছত্তীশগড়ের সুকমা ও বিজাপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৪ জন মাওবাদী। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযানে নামে পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনী।
তীব্র গুলির লড়াইয়ে ১৪ মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সুকমায় ১২ জন মাওবাদী নিহত ও বিজাপুর জেলায় দু’জন নিহত হয়েছেন।যা ২০২৬ সালের প্রথম বড় মাওবাদী-বিরোধী অভিযান বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। রায়পুর থেকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে বিজাপুরের বাসাগুড়া-তারেম বনাঞ্চল এবং সুকমার কোন্টা-কিস্তারাম জঙ্গলে মাওবাদীদের উপস্থিতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জেলা রিজার্ভ গার্ডের পৃথক দল তাদের নিজ নিজ এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে, যার ফলে শনিবার সকাল থেকে মাঝেমধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়। সুকমা সংঘর্ষ স্থল থেকে ১২ জন মাওবাদীর মৃতদেহ এবং বিজাপুর থেকে দু’জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বস্তারের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পাটিলিঙ্গম জানিয়েছেন। সংঘর্ষস্থল থেকে একটি একে-৪৭, আইএনএসএ এস অ্যাসল্ট রাইফেল, সেলফ-লোডিং রাইফেল এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পাশাপাশি তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন মাওবাদীদের শীর্ষনেতা ব্যাডসে সুক্কা ওরফে দেবা সহ আরও ১৯। জানা যাচ্ছে , তার মাথার দাম ছিল ৭৫ লক্ষ টাকা। তেলেঙ্গানার ডিজিপি শিবশঙ্কর রেড্ডি জানিয়েছেন, মাওবাদী শীর্ষনেতা পিএলজিএ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার দেবা আরও ১৯ জন সমেত আত্মসমর্পণ এবং অস্ত্রসমর্পণ করেছেন।








