
খুনিরা চেক আউট করে যাওয়ার পর পার্ক স্ট্রিটের হোটেলের ৩০২ নম্বর ঘরে উঠেছিলেন দম্পতি। যে খাটে শুয়েছিলেন তার নিচে বক্সেই ছিল দেহ।
কিন্তু কিছুই বুঝতে পারেনি দম্পতি। শুক্রবার সকালে পচা গন্ধ বেরতে থাকায় হোটেলকর্মীদের ডাকেন। শেষপর্যন্ত বক্সখাট খুলতেই দেহ উদ্ধার হয়। এদিকে পার্ক স্ট্রিটের হোটেলের বক্সখাট থেকে দেহ উদ্ধারে এখনও অধরা মৃতের দুই সঙ্গী। উধাও হয়ে গিয়েছে বিছানার বেড শিট। পুলিশের অনুমান বেড শিট পেঁচিয়ে রাহুল লালকে খুন করা হয়েছে। খুনের পর চাদর নিয়ে পালিয়েছে অভিযুক্তরা। রাহুলের পার্সেরও খোঁজ নেই। যে পরিচয়পত্র দিয়ে রুম বুক করা হয়েছিল সেটা রাহুলের দাদার। ২২ তারিখ বিকেলে কয়েক ঘণ্টার জন্য রুম বুক করেছিলেন ৩ জন। রাতে ২ জন চেক আউট করেন। তৃতীয় জন কেন বেরোননি তা হোটেল কর্তৃপক্ষের কীভাবে নজর এড়িয়ে গিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি হোটেলে ঘর নেওয়ার সময় একটাই পরিচয়পত্র ব্যবহার করেছিলেন তাঁরা। পরিচয়পত্র তিনজনের মধ্যে কারও নয়। পুলিশের অনুমান রাহুলকে খুন করার জন্যই হোটেলের রুম বুক করা হয়েছিল।
মদ খাইয়ে বেহুঁশ করে শ্বাসরোধ করে রাহুল লালকে খুন করা হয় বলে অনুমান। মৃত রাহুলের নামেও থানায় বেশকিছু মামলা রয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।








