
জলের তোড়ে ভেঙে গেল মাত্র ২ মাস আগের তৈরি বাঁধ। প্রবল জলের স্রোতে প্লাবিত মালদার ভূতনির বিস্তীর্ণ এলাকা।
ভূতনি মালদার মানিকচকের ভূতনীর দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকার এই বাঁধ তৈরিতে খরচ হয়েছিল ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ফুলহার নদীর জলের তোড়ে বাঁধ ভেঙে যেতেই ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকার মানুষ। বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। বৃষ্টির মধ্যেই পুলিশ, প্রশাসন এবং সেচ আধিকারিকদের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন স্থানীয়রা। গতবছরও ভূতনীর দক্ষিণ চণ্ডীপুরে বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন স্থানীয়রা। এরপর মাত্র দু মাস আগে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা খরচ করে সেচ দফতর বাঁধ তৈরি করে। কিন্তু দিন কয়েক আগে সেই বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। সেচদফতর বালির বস্তা দিয়ে জল আটকানোর চেষ্টা করে কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। বাঁধের কাজে সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি, সিপিএম।
বাধ ভাঙেনি বালির বস্তা সরিয়ে জল ঢুকতে সাহায্য করেছে বাম-বিজেপি। বিরোধীদের পাল্টা দুষেছেন তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র।









