
উত্তমনগরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি নামানো হলো র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, র্যাফ। ঘটনাটি ৪ মার্চ, বুধবারের। সূত্রের খবর, ১১ বছরের একটি মেয়ে বাড়ির ছাদ থেকে রঙভরা একটি বেলুন নীচের রাস্তায় ছোড়ে।
তা এসে লাগে ভিনধর্মের এক মহিলার গায়ে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল অশান্তি, যা প্রাণ কেড়েছিল তরুণ কুমার নামের এক ২৬ বছরের এক যুবকের। হস্তসাল গ্রামের বাসিন্দা তরুণ কুমারের এই খুন ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লির উত্তম নগর। স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলা চিৎকার করে গালিগালাজ করতে থাকেন। শুধু তাই নয়, নিজের পরিজন এবং পরিচিতদের ডেকে এনে অশান্তি করতে থাকেন তিনি। বাচ্চাটির বাড়ির লোক ও পরিজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেই অশান্তির মধ্যে পড়েই নিহত হন ওই তরুণ। আহত হন অন্তত চার জন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। যাদের মধ্যে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের নাম উমরদিন ৪৯ ; জুম্মাদিন ৩৬ ; কামরুদ্দিন ৩৬ ; মুস্তাক ৪৬ ; মুজাফফর ২৫ ; তাহির ১৮ ; ইমরান এবং বান্টি ৩৮ । সকলেই জেজে কলোনির একটি ব্লকে থাকেন।
হামলার সময় বর্ণবাদী অপবাদ ব্যবহারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তপশিলি জাতি ও উপজাতি আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুরসভা কর্তৃপক্ষ এই মামলায় জড়িত অভিযুক্তদের আবাসিক ভবনের কিছু অংশ ভেঙে ফেলেছিল। রবিবার সকালে দেখা যায়, উত্তম নগরের জেজে কলোনিতে একটি ক্রেন আনা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের তিনতলা বাড়ির কিছু অংশ ভাঙচুর করা হয়েছে। পরে শ্রমিকদের বাড়ি ভাঙার জন্য আনা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় র্যাফ।







