
২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রার্থী সুজিত বসু, রথীন ঘোষ। কিন্তু তার আগে ২৪ তারিখ বিদায়ী দুই মন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে তলব করলেও হাজিরা এড়িয়েছিলেন সুজিত বসু। তার বদলে দমকলমন্ত্রীর ছেলে সমুদ্র বসু ইডি-র দফতরে গিয়ে সুজিত বসু অসুস্থতার কারণে হাজিরা দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন। জমি দখল মামলায় বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকেও এর আগেও ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সুজিত বসু, রথীন ঘোষের পাশাপাশি রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারকেও জেরা করেছে ইডি। এদিকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-র তলবের পরেও বালিপাচার মামলায় হাজিরা দিলেন না কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। আইনজীবীকে পাঠিয়ে সময় চেয়েছেন বলে খবর। এই নিয়ে চতুর্থ মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করা হয়েছে। প্রথমবার কয়লা পাচার মামলায় দিল্লিতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করা হয়েছিল। দ্বিতীয় মামলাটি এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল অ্যাডিমিশন। এরপর সোনা পাপ্পুর মামলায় তলব করা হয়। আর এখন বালিপাচার মামলাতেও তলব করা হয়েছে। সোনা পাপুর মামলায় ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এই মামলাতেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে প্রায় ২১ ঘণ্টা তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। তাঁর ছেলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তল্লাশি চলে। গত বছর বালি পাচার মামলায় ডিজি মাইনিংয়ের কর্ণধার অরুণ সরাফকে গ্রেফতার করে ইডি।
তল্লাশিতে পাওয়া নথি থেকে বেশকিছু প্রভাবশালীর নাম জানতে পারেন ইডির তদন্তকারীরা। এই মামলাতেই ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল আগরওয়ালকেও তলব করা হয়েছে।







