
সারা দিনের জন্য এনার্জি পেতে আমরা নানা ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। অনেকে এনার্জি পেতে দিনে বেশ কয়েকবার কফি পান করে থাকেন।কিন্তু অতিরিক্ত কফি পান করলে কফিতে থাকা ক্যাফেইন শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই শরীরে এনার্জি পেতে কফির বিকল্প কিছু খাবার খাওয়া যেতে পারে।সকালে এসব খাবার খেলে সারা দিন কাজ করলেও শরীরে ঝিমুনি আসবে না।
যেমন কলায় ন্যাচারাল গ্লুকোজ ও পটাশিয়াম রয়েছে।তাই এই ফল খেলে তাৎক্ষণিক এনার্জি পাওয়া যাবে। তাই প্রতিদিন সকালে একটা করে কলা খাওয়া যেতেই পারে। তবে দুধের সঙ্গে কলা খাবেন না। অবধারিত ভাবে অ্যাসিডিটি ও বদহজম হবে। আর একদম খালি পেটেও কলা খাবেন না। প্রতিদিন কলা খেলে দিনে একবার খাওয়াই যথেষ্ট।পাশাপাশি হেলদি ফ্যাট ও প্রোটিন সমৃদ্ধ আমন্ড প্রতিদিন খেলে সারা দিন ভরপুর এনার্জি পাওয়া যাবে। সকালে খালি পেটে পানিতে ভেজানো আমন্ড খেতে পারেন। তবে রোজ আমন্ড খেলে পরিমাণের দিকে সবার আগে নজর দিন। তিন-চারটের বেশি আমন্ড খাবেন না। যেদিন খাবেন, তার আগের রাতে কাচের পাত্রে জলেতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নিন। পালংশাকের মধ্যে রয়েছে আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম। এই দুই উপকরণ শরীরের ক্লান্তি দূর করবে সহজেই। তাই খাবার তালিকায় মাঝে মাঝে পালংশাকের পদ রাখুন। এই শাক প্রতিদিন খেলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।তাই প্রতিদিন খাওয়ার দরকার নেই। এ ছাড়া কাঁচা পালংশাক খাওয়াও ঠিক নয়।ওদিকে ওটসে কার্বোহাইড্রেট ও ভিটামিন বি- এর পরিমাণ অনেক। আর এই দুই উপকরণ আমাদের শরীরে ভরপুর এনার্জির জোগান দেয়। তাই সকালে,ব্রেকফাস্টে ওটস রাখা জরুরি। ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবার অনেকক্ষণ পেটও ভরিয়ে রাখে। খাইখাই ভাব কমায়। এমনকি ওজনও কমায় ওটস। ড্রাই ফ্রুটস মিশিয়ে দুধ দিয়ে ওটস খেতে পারলে বেশ কয়েক ঘণ্টার নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। আর,সারা দিন এনার্জি পেতে, ক্লান্তি ভাব দূর করতে দিনে একবার গ্রিন টি- এর কাপে চুমুক দেওয়া যেতে পারে।
সকালে তাই কফির পরিবর্তে এই বিশেষ ধরনের গ্রিন টি খেতে পারেন। সেইসঙ্গে,ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবারে ভরপুর চিয়া সিড খেলে সারা দিন চাঙ্গা থাকা যাবে। পাবেন কফির থেকেও বেশি এনার্জি। সকালে খালি পেটে চিয়া সিড ভেজানো জল খেলে দ্রুত গতিতে ঝরবে মেদও। তাছাড়া প্রোটিন সমৃদ্ধ কিনুয়া খেতে পারলে পেট যেমন অনেকক্ষণ ভরে থাকবে,তেমনই পাবেন ভরপুর পুষ্টি ও এনার্জি। সকালে তাই মাঝে মাঝে ওটসের পরিবর্তে কিনুয়া খেতে পারেন।









