
জয়নগরে নাবালিকাকে ধর্ষণ খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া মুস্তাকিন সর্দারকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে বারুইপুর আদালত। বৃহস্পতিবার ওই মামলায় মূল অভিযুক্ত মুস্তাকিনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বারুইপুরের ফাস্ট অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জাজেস কোর্টের বিচারক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়।
এর পর শুক্রবার রায় ঘোষণা করেছেন তিনি। উল্লেখ্য আরজি করের আন্দোলনের আবহে প্রকাশ্যে এসেছিল জয়নগরের ঘটনা যার জেরে বিস্তর শোরগোলও পড়েছিল প্রাথমিক ভাবে। আরজি করের নিহত মহিলা চিকিৎসকের পাশাপাশি তার জন্যেও বিচারের দাবিতে স্লোগান তুলেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু চার মাস কেটে গেলেও আরজি কর-কাণ্ডে বিচার এখনও মেলেনি। এ দিকে মাত্র ৬৩ দিনের মাথায় বিচার এল জয়নগরকাণ্ডে।জয়নগরের ঘটনায় দোষীর ফাঁসির সাজা হতেই এক্স হ্যান্ডলে রাজ্য পুলিশের তরফে একটি পোস্ট করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, জাস্টিস ফর জয়নগর। পাশাপাশিই লেখা হয়েছে,এই রায় নজিরবিহীন।নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের মামলায় ঘটনার মাত্র ৬৩ দিনের মধ্যে অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ এর আগে পশ্চিমবঙ্গে কখনও ঘটেনি। এর আগে ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় গৃহশিক্ষকের কাছে পড়ে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। মেয়ে বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। এর পর গভীর রাতে বাড়ির কাছের জলাজমি থেকে মেলে মেয়েটির দেহ।
ওই রাতেই গ্রেফতার হয় মোস্তাকিন। পরের দিন সকালে পুলিশ, স্থানীয় নেতারা এলাকায় গেলে, তাঁদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। হামলা চলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতেও।









