
কঙ্গনা রানাউতের এমার্জেন্সি মুক্তির আলো দেখতে চলেছে। কিন্তু সেই ছবি মুক্তি পাচ্ছে না বাংলাদেশে।
এর পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক কারণ।এমার্জেন্সি সিনেমায় দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। সাতের দশকের উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপটেই সাজানো চিত্রনাট্য। ইন্দিরাই ইন্ডিয়া, নতুন ট্রেলারে সত্তর দশকের উত্তাল সময়ের ঝলক দেখা গিয়েছে। আর এমন ছবি মুক্তি পাবে না ওপার বাংলায়। সূত্রের দাবি, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ছবিটির কনটেন্টে’র সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। মূলত দু’ দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার।প্রসঙ্গত, ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বাংলাদেশের জন্মের সম্পর্ক অনস্বীকার্য।মার্কিন চোখরাঙানি এড়িয়ে সেই সময় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে ভারতীয় সেনা না দাঁড়ালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের হাত থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারত না।সেই ইন্দিরাকেই রুপোলি পর্দায় ফুটিয়েছেন কঙ্গনা।কিন্তু ছবি দেখা যাবে না পড়শি দেশে।সদ্যই মুক্তি পেয়েছে ছবির ট্রেলার।জয়প্রকাশ নারায়ণের ভূমিকায় অনুপম খের, যুব অটল বিহারি বাজপেয়ীর চরিত্রে শ্রেয়স তলপড়ে,ফিল্ড মার্শাল স্যাম মানেকশর চরিত্রে মিলিন্দ সোমানকে দেখা যাবে।এদিকে কঙ্গনার এমার্জেন্সিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন মহিমা চৌধুরী এবং সতীশ কৌশিকও।ক দিন আগে নাগপুরে এমার্জেন্সি ছবির প্রিমিয়ার হয়। ছবি দেখে মুগ্ধ নীতীন গড়করি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে সেই অনুভবের কথা জানাতে গিয়েছে লিখেছেন, ভারতের ইতিহাসের অন্ধকার অধ্যায়কে এত সত্যতা এবং উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সমস্ত অভিনেতাদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে।
কঙ্গনাকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন ছবির অন্যতম অভিনেতা অনুপম খেরও। বর্ষীয়ান অভিনেতা জানাচ্ছেন, কঙ্গনা রানাউত তাঁর কাজ করা সেরা পরিচালকদের একজন।









