
আগেও অপহরণ করে সোজা ৯ কোটি টাকা আদায় করেছিল তৃণমূল কাউন্সিলর মিলন সর্দার। সেই টাকাতেই ফুলেফেঁপে উঠেছিল। একের পর এক সম্পত্তি কিনেছিল তৃণমূল কাউন্সিলর। এরপরেই ক্রমেই লোভ বাড়তে থাকে মিলনদের।
২০২২ এবং ২০২৩ পরপর দুবছর ত্রিপুরার এই ব্যবসাযীকেই অপহরণ করেছিল মিলনরা। মুক্তিপণ আদায় করেছিল ৯ কোটি ২৫ লাখ টাকারও বেশি। যার প্রধান চক্রান্তকারী ছিলেন মিলনই। বৃহস্পতিবার বারাসতের বাড়ি থেকে মিলনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। দলীয় নেতার গ্রেফতারিতে অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল। এরপরেই কাউন্সিলরকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছেন বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভানেত্রী তথা সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি জানিয়েছেন দলবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদিকে মিলন সর্দার আরেকটা শাহজাহান বলে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের স্নেহভাজন ছিল বলে এতদিন এই কাজ করে গিয়েছে। এমনটাই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। তিনি আরও বলেছেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সঙ্গে এই তৃণমূল কাউন্সিলের অন্তত ২৫টা ছবি, ভিডিও রয়েছে। মিলন সর্দারের কাজ ছিল প্রত্যেকদিন বিরোধী দলনেতাকে ব্যঙ্গ ছবি পোস্ট করা। তিনি আরও বলেছেন এই কাউন্সিলররা মানুষের ভোটে জেতে নি, ছাপ্পা দিয়ে ভোটে জিতেছে।









