
মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকির খুনের পরেও অন্যতম মূল অভিযুক্ত শিবকুমারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল মুম্বইয়ের গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল বিষ্ণোইয়ের।
তাঁকে নেপালে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ।বাবা সিদ্দিকির খুনের ২৯ দিন পর অন্যতম মূল অভিযুক্ত শিবকুমার-সহ ৪ জনকে রবিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, বাবা সিদ্দিকিকে খুনের সময়ে প্রাণঘাতী গুলিটি করেছিলেন শিবকুমারই। উত্তরপ্রদেশের এসটিএফের ডেপুটি এসপি প্রমেশ শুক্লা বলেছেন, আনমোল বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে শিবকুমারের যোগাযোগ ছিল। স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে প্রায়ই তাদের কথা হত। খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য শিবকুমার এবং তাঁর সহযোগীদের দেওয়া হয়েছিল আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, একাধিক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন। বাবা সিদ্দিকিকে খুনের আগে শিবকুমারেরা দিনের পর দিন মুম্বইয়ে মহড়া দিয়েছেন। ১২ অক্টোবরের রাতটিকে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন কারণ ভেবেছিলেন, উৎসবের রাতে খুন করে পালানো তুলনামূলক সহজ হবে। কিন্তু দুই আততায়ীকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করে ফেলে পুলিশ। কোনও রকমে সেখান থেকে পালাতে পেরেছিলেন শিবকুমার।
ঘটনাস্থল থেকে পালানোর পর শিবকুমার মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলেছিলেন। তারপর চলে যান পুণে। সেখান থেকে ঝাঁসি হয়ে লখনউ যান। তারপর বহরাইচে গিয়ে গা-ঢাকা দেন। সেখান থেকেই নেপালে পালানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
ছবি সৌজন্যে : এক্স









