
অনেকেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারে লবণ ব্যবহার করেন না বা কম লবণ ব্যবহার করেন। নিয়ম করে ওষুধও খান। তবুও রক্তচাপ ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে না। এমন হলে বুঝতে হবে, প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কিছু মারাত্মক ভুল থেকে যাচ্ছে।
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য লবণ অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আরো কিছু খাবার আছে যেগুলো লবণ ছাড়াও রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।যেমন, প্রক্রিয়াজাত মাংস,সসেজ, নাগেট,এসব খাবারে সোডিয়ামের মাত্রা অনেক বেশি।বলা হয়,মাত্র ৮৫ গ্রাম প্রক্রিয়াজাত মাংসে প্রায় ৭৫০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে। আবার সস ও রেডিমেড মসলা,সয়া সস, কেচাপ, বারবিকিউ সস বা রেডিমেড মসলার মিশ্রণ,এসবে থাকে উচ্চমাত্রার লবণ। নিয়মিত খেলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।ওদিকে,১০০ গ্রাম চিজে প্রায় ৬২১ মিলিগ্রাম নুন থাকে। এছাড়া পিৎজা পাস্তা বা স্যান্ডউইচে চিজ নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে জমে। অন্যদিকে,চিনিযুক্ত পানীয় ও ক্যাফেইনযুক্ত ড্রিংকস,সোডা, কোল্ড ড্রিংকস, প্যাকেটজাত ফলের রস, চা-কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্ক বেশি খেলে রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এখন প্রশ্ন হল,কী খাবেন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে? উত্তর হল,কলা,পটাশিয়াম সমৃদ্ধ এই ফল সোডিয়ামের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এদিকে,বিটের রস সিস্টোলিক রক্তচাপ কমাতে পারে। তবে রস না খেয়ে বিট দিয়ে সালাদ বা তরকারি খেলেও উপকার পাবেন। আবার তরমুজে থাকা সাইট্রুলিন নামক অ্যামিনো এসিড রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে।ওদিকে,ফার্মেন্টেড খাবার,কিমচি, দই, অ্যাপল সিডার ভিনেগার হজমে সহায়ক এবং হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
এই অবস্থায়,উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা প্রতিদিনের খাবারে যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক, কম প্রক্রিয়াজাত ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। নিয়মিত ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণেও রক্তচাপ ভালো থাকে।








