
শ্লীলতাহানির মামলা প্রত্যাহার না করায় নির্যাতিতা ও তাঁর মাকে গাছে বেঁধে মারধর করে চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তদের পরিবারের বিরুদ্ধে।
বনগাঁর গাইঘাটায় ঘটনার জেরে শোরগোল পড়েছে। গাইঘাটার চাঁদপাড়া ফুলসড়ার বাসিন্দা নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী যুবকদের বিরুদ্ধে। নাবালিকার মা থানায় অভিযোগ করেন প্রতিবেশী কয়েকজন যুবক তাঁর মেয়ের কাছে মদ খাওয়ার টাকা চায়। দিতে না পারায় অশ্লীল আচরণ করে সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের। পরে আদালত থেকে জামিন পান তাঁরা। পরে আদালত থেকে জামিনও পেয়ে যায় অভিযুক্তরা। অভিযোগ এরপর থেকেই নাবালিকার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে অভিযুক্তদের পরিবার। বুধবার সকালে অভিযুক্তদের পরিবার চড়াও হয় নির্বাতিতার বাড়ি। দরজা ভেঙে ঘর থেকে টেনে বার করে দড়ি দিয়ে আমগাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে চুল কেটে দেয়। এরপরে কাটা চুল হাতে নিয়ে গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা। এরপরেই ৩ জনকে আটক করে পুলিশ। এদিকে বধূকে কুপ্রস্তাব, শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় নির্যাতিতার স্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায়। অভিযোগ গোসাবা থানার বিরাজনগরে কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার গোপাল মণ্ডল ওই এলাকার এক বধূকেকুপ্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায়া শ্লীলতাহানি এমনকি যৌন কাজে লিপ্ত হওয়ার জন্য টানাটানি করত বলে অভিযোগ।
ঘটনার পরেই গোসাবা থানায় অভিযোগ জানানোয় তাঁর স্বামী ওপর চড়াও হন অভিযুক্তর দাদা তথা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সুব্রত মণ্ডল ও তাঁর দলবল। লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।









