
বাঁকুড়ার বড়জোড়া থেকে হুগলির আরামবাগ। কোথাও হাঁটু, কোথাও আবার কোমর সমান জল।
দোকান, ঘরবাড়ি, অঙ্গনওযাড়ি থেকে রাস্তা সবই কার্যত জলের তলায়। তাই বাস, গাড়ির বদলে ভরসা এখন নৌকা। টানা বৃষ্টির জেরে বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লকের একাধিক গ্রাম জলমগ্ন। শালি নদীর সেতুর ওপর দিয়ে বইছে জল। কার্যত একই ছবি আরামবাগে। টানা বৃষ্টি, ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগের ৮টি গ্রামের করুণ দশা। হাঁটু, কোমর সমান জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এদিকে চাকদা-বনগাঁ রোড নদী না রাস্তা বোঝার উপায় নেই। নৌকা নামিয়ে দুয়ারে নৌকা পোস্টার দিয়ে অভিনব প্রতিবাদে সামিল হয়েছে বামেরা। শোচনীয় অবস্থা সুন্দরবনে। গোসাবা, ক্যানিং, নামখানা, কাকদ্বীপ সাগরের ১৩টি ব্লক বিপর্যস্ত । কটাল, নিম্নচাপের বৃষ্টিতে নদী ও সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি হয়েছে। এরইমধ্যে মহেশতলায় বৃষ্টিতে ঘুমন্ত অবস্থায় টালির বাড়ি ভেঙে চাপা পড়েন এক দম্পতি।
বৃহস্পতিবার ভোরে প্রতিবেশীরাই চিৎকার শুনে টালি সরিয়ে দম্পতিকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রতিবেশীরাই।









