
সোমবার বিকেলেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন সইফ আলি খান। অন্য সূত্রে খবর, সোমবারই পুলিশ তাঁর বয়ান রেকর্ড করতে পারে। অন্যদিকে, সইফ আলি খানের উপর হামলায় ধৃত সন্দেহভাজন বাংলাদেশি কুস্তিগীর।
এমনই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে।সূত্রের খবর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শরিফুল ইসলাম শেহজাদ জানিয়েছেন, ভারতে আসার আগে তিনি বাংলাদেশে জেলা-স্তর এবং জাতীয়-স্তরের কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন। সন্দেহভাজনের আরও দাবি, কুস্তিগীর হওয়ার জন্যই সাইফ আলি খানের উপর তাঁর আক্রমণ করা আরও সহজ হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের জেরার মুখে দোষও শিকার করেছেন অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শেহজাদ। বলেছেন, হ্যাঁ তিনিই করেছেন। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, পটৌদী প্যালেসে ডাকাতির চেষ্টা তিনিই করেন। সইফ আলি খানের হামলাকারীও তিনিই। শরিফুল ইসলাম শেহজাদ আরও জানিয়েছেন, তিনি পটৌদী প্যালেস সম্বন্ধে একেবারেই ওয়াকিবহাল ছিলেন না। জানতেন না, সইফ আলি খানের বাড়িতে চুরি করতে ঢুকেছেন। এমনকি, অভিনেতাকে পর্যন্ত চিনতেন না। তিনি পরে জানতে পারেন, যাকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি জনপ্রিয় অভিনেতা। মুম্বই পুলিশের তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ভারতে বসবাসকারী শরিফুল ইসলাম গত পাঁচ মাস ধরে এলাকার বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করছিলেন। ইতিমধ্যেই ওরলি এবং থানে এলাকার দু’টি রেস্তরাঁ-পাব ও হোটেলে শরিফুল ইসলামের কাজ করার কথা জেনেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, ওরলি এলাকার রেস্তরাঁয় চুরির অভিযোগ উঠেছিল সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে। সেই কারণে তাঁর চাকরিও গিয়েছিল অগস্টে। শনিবার দুই রেস্তরাঁয় হানা দেয় প্রশাসন।








