
অর্ধশতক পেরিয়ে গেলেও মাওবাদী অধ্যুষিত মহারাষ্ট্রের গঢ়চিরৌলির ভমরাগঢ় মহকুমার ওই এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল পুলিশ-প্রশাসনের। তবে, পরিচিত সেই প্রত্যন্ত গ্রাম ফুলনারে অবশেষে গড়ে তোলা হল পুলিশ ফাঁড়ি।
দীর্ঘ ৫০ বছর পরে মাওবাদীদের কমান্ড সেন্টারেই উড়ল তেরঙা পতাকা। তৈরি হয়েছে পুলিশ ফাঁড়ি এবং গ্রামবাসীদের সাহায্যের জন্য প্রশাসনিক কেন্দ্র। ছত্তীশগড় সীমানা লাগোয়া অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলের অন্দরে গড়া গুন্ডুরওয়াহি ক্যাম্প আগামী দিনে মাওবাদী দমন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মহারাষ্ট্র পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনার দাবি। মহারাষ্ট্র পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা এই দুর্গম উপত্যকা মাওবাদীদের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করত। বর্ষাকালে পাহাড়ি খরস্রোতা নদী পার্লকোটার জল বেড়ে যাওয়ায় এবং ঘন ঘন হড়পা বানের কারণে প্রায় সাত মাস তা পারাপার করা যেত না।
নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলিতে মাওবাদী সশস্ত্র শাখা পিএলজিএর বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি এবং মিলিশিয়া দলমের সদস্যেরা মোতায়েন থাকতেন। এলাকা জুড়ে পেতে রাখা হয়েছিল, ল্যান্ডমাইন, ডাইরেকশনাল মাইন, বুবি ট্র্যাপ, আইইডির ফাঁদ, ফলে যৌথবাহিনীর নাগালের বাইরে থেকে গিয়েছে জনতানা সরকারে’র রাজধানী হিসাবে পরিচিত ফুলনার-গুন্ডুরওয়াহি।









