
রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে হাইকোর্টে রাজ্যকে ভর্ৎসনার দিনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্যালাইনের গুণগত মানে কোনও গলদ ছিল না।
মেদিনীপুর মেডিক্যালে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় নিষিদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। মঙ্গলবার তারই জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন গুণগত মানে কোনও গলদ ছিল না সংশ্লিষ্ট স্যালাইনের। সবরকম পরীক্ষার পরেই তিনি একথা বলছেন বলে দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই মথুরাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যকে তীব্র আক্রমণ করেছে হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেছেন পার্ক স্ট্রিটের আলো নিয়ে গর্ব হয়, অথচ কলকাতার বাইরে গিয়ে দেখুন মানুষ মারা যাচ্ছেন। কেন করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে দক্ষিণ ভারতে যেতে হবে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রধান বিচারপতি। রাজ্য আক্রমণ করে আরও বলেছেন ভোট নিয়ে চিন্তিত, ভোটারদের নিয়ে নয়। ১৯৭৬ সালে হাসপাতালের জন্য মথুরাপুরের বাসিন্দারা জমি দিয়েছিলেন। সেই জমিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তখনও ১০ শয্যার হাসপাতাল ছিল, এত বছর পর এখনও ১০টি বেডই রয়েছে। চন্দননগরে এখনও কোনও মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল নেই।
পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদে গেলে বোঝা যাবে স্বাস্থ্যের বেহাল দশা। প্রধান বিচারপতি আরও বলেছেন সুন্দরবনের মধুর জিআই ট্যাগ নিয়ে গর্ব করেন, অথচ সেই মধু সংগ্রহে কত পরিশ্রম করতে হয়, সেটা নিয়ে কেউ ভাবে না।









