
এসএসসি-র অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ হতেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর নাম সামনে আসছে। তালিকার ১৮০৪ জনের মধ্যে রয়েছেন রাজপুর-সোনারপর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষ।
দাগি তালিকার ৬৪৭ নম্বরে রয়েছে কুহেলি ঘোষের নাম। প্রথমে তিনি প্রাথমিক শিক্ষিকার পদে নিযুক্ত হয়েছিছলেন, পরে হাইস্কুলে শিক্ষিকার চাকরি পান। অন্যদিকেএসএসসির আদালতে যে হলফনামা দেয় সেখানে বেআইনি নিয়োগ হিসেবে বলা হয়েছিল চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের মেয়ে রোশনারা বেগমকে। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় দাগিদের যে লিস্ট সামনে আনা হয় তাতে নাম ছিল না রোশনারার। তা নিয়ে চাপানউতোর বাড়তে থাকে। হাতেনাতে ওই গরমিল ধরা পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে এসএসসির দাগি তালিকায় জুড়ল হামিদুল রহমানের মেয়ের নাম। ২০১৮ সাল থেকে কালীগঞ্জ হাইস্কুলে শিক্ষকতা করতেন রোশনারা। এসএসসির হলফনামায় স্পষ্টতই তাঁর নিয়োগকে বেআইনি নিয়োগ হিসাবে জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু কাল প্রকাশিত প্রথম তালিকায় অর্থাৎ যে ১৮০৪ জনের নাম সামনে আনা হয়েছিল তাতে নাম ছিল নারোশনারার। কিন্তু বিতর্ক শুরু হতেই দেখা যায় মাঝরাতেই তৃতীয় তালিকায় যুক্ত হল বিধায়ক কন্যার নাম। তবে শুধু বিধায়ক কন্যারই যে নাম রয়েছে এমনটা নয়। তালিকায় তৃণমূল কাউন্সিলর যেমন রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিও। হুগলির খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের সদস্য বিভাস মালিকের নাম রয়েছে তালিকায়। একইসঙ্গে নাম রয়েছে তাঁর স্ত্রীরও। তালিকায় রয়েছেন হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূল সভানেত্রীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল। নাম রয়েছে হুগলির জেলা পরিষদের সদস্য সাহিনা সুলতানার।
রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার অন্তর্গত জলচক অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি অজয় মাঝির নাম।








