
বাংলা সিনেমার মহানায়কের ছবি নায়ক আবারও বড়পর্দায়। কলকাতায় নায়ক দেখা যাবে প্রিয়া প্রেক্ষাগৃহে। ২১ ফেব্রুয়ারি আরও একবার সিনেমা হলে মুক্তি পাবে এ ছবি। প্রায় ছ’ দশক পর এবার ফের বড়পর্দায় আসতে চলেছে সত্যজিতের কালজয়ী সিনেমাটি।
মুক্তির দিন প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত থাকতে পারেন উত্তমের পরিবারের সদস্যরাও।উল্লেখ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের নায়ক ছবিটি অনেকেই বড় পর্দায়, কিংবা টিভিতে দেখে থাকবেন।তবে যারা এখনও দেখেননি, তারা আরও একবার এ ছবি দেখার সুযোগ পাবেন, তাও আবার বড় পর্দায়। ছবিটি, টু-কে ভার্সনে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। আর এই প্রথমবার ইংরেজি সাবটাইটেলসহ ছবিটি দেখানো হবে।এর ফলে ছবিটি বাঙালি সিনেপ্রেমী ছাড়াও আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছাবে।বিখ্যাত মাল্টিপ্লেক্স চেন পিভিআর সিনেমায় তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এ আইকনিক ক্ল্যাসিকটির পুনরায় মুক্তির খবর জানিয়েছে। এবারের মুক্তিতে সিনেমার নিবেদক পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। সৃজিত বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে নায়ক সিনেমা তাঁর জীবনের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ।অনেক সময় এ সিনেমার সংলাপ ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনের নানা পরিস্থিতি সামলেছেন। সিনেমাটি এতবার দেখেছেন যে, সংলাপ মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। সংঘাতগুলো খুব চেনা। বলতে পারেন, হৃদয়ের খুব কাছাকাছি একটা সিনেমা।উল্লেখ্য,এ সিনেমায় উত্তম কুমার হয়েছিলেন একজন সুপারস্টার, যার নাম অরিন্দম মুখোপাধ্যায়।যিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিতে রওনা হন রেলগাড়িতে, কারণ বিমানের টিকিট পাননি। কামরায় পরিচয় হয় অদিতি সেনগুপ্ত নামে এক মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে,যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর।
এরপরেই নায়ক ১৯৬৬ সালে বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতেছিল একাধিক পুরস্কার।স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ডের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ ফিচার ফিল্ম এবং শ্রেষ্ঠ কাহিনি ও চিত্রনাট্য বিভাগেও পুরস্কার জেতে।এ ছাড়া পরের বছর ভারতেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায় সিনেমাটি। ১৯৬৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল,নায়ক।









