
চলছে শীতের সিজন,কমছে তাপমাত্রার পারদ। ফলশ্রুতিতে আবহাওয়া রুক্ষ হতে শুরু করে। এর প্রভাব থেকে মুক্তি পায় না- কোমল ঠোঁটও। দেখা যায় ঠোঁটকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে।
এর ফলে ঠোঁট ফেটে যায়, রুক্ষ হয়ে যায়, ঠোঁটের চামড়া উঠে যায় এবং ঠোঁটের ন্যাচারাল কালার হারিয়ে যায়। কড়া রোদে দীর্ঘ সময় থাকা, জলশূন্যতা, গর্ভাবস্থা, বছরের পর বছর রাত জেগে থাকা, সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবারের অভাব, ব্র্যান্ডহীন কোম্পানির মাত্রাতিরিক্ত হারে প্রসাধনী ব্যবহার করা প্রভৃতির জন্য ঠোঁট কালো হতে পারে। শীতের সময়ই ঠোঁটের যত্ন নেওয়াটা একটু বেশিই দরকার। এই সময় ঠোঁট ফাটা থেকে শুরু করে ঠোঁটের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। তাই শীতে ঠোঁটে চাই বাড়তি যত্ন।শীতের পরিবর্তন কেবল প্রকৃতিতে নয়, নাগরিক কোলাহলেও আমূল বদল আসে। পরিবর্তন আসে প্রসাধনীতেও। কেননা গরমের প্রসাধনীর বদলে এ সময় ব্যবহার করতে হয় শীতের প্রসাধনী। তাই শীতের শুষ্কতা থেকে সুরক্ষায় এই সিজনে নিদেনপক্ষে পেট্রোলিয়াম জেলি বা কোল্ড ক্রিম কিনতেই হয়।এই অবস্থায় লিপজেল বেশ আধুনিক। বারবার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে বলে প্যাকেজিংটা সেভাবে। তবে শীতে ত্বকের পরিচর্যায় কোল্ড ক্রিমের মতো প্রোডাক্ট একটা সময় দেখা যেত ঘরে ঘরেই। প্রসাধনী শিল্পের বিকাশের শুরুর দিক থেকেই উৎপাদন চলছে আরও প্রোডাক্টর।
বাজারে আরও হাজারো আধুনিক প্রোডাক্টর ভিড়েও হারিয়ে যায়নি পুরোনো কোল্ড ক্রিম বা ময়েশ্চাইজার। তবে এই শীতে আপনার ঠোঁটের যত্নে ভরসা রাখতে পারেন পেট্রোলিয়াম জেলি বা কোল্ড ক্রিমের ওপর।









