
হিমঘরে আলু আটকে রাখা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। প্রয়োজনে হিমঘরে অভিযান হবে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পর নবান্নে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব। সেই বৈঠকেই জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।
বাজারে যোগান ঠিক রাখতে হিমঘর থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে আলু বের করতে হবে। বাইরে আলু রফতানিতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার জেরে আন্দোলন চালাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে আলুর দাম। বাজারে চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় শুরু হয়েছে কালোবাজারি। সোমবার থেকে প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি ধর্মঘট চালাচ্ছে। হিমঘর খোলা থাকলেও বেরোচ্ছে না কোনও আলু। গত সপ্তাহে যেখানে ১৪০০ থেকে ১৪৪০ টাকা প্রতি বস্তার দাম ছিল। সেখানে খুচরো ব্যবসায়ীদের আলু কিনতে হচ্ছে বস্তা প্রতি ১৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। এদিকে সকাল থেকেই জামালপুর ব্লকের বিডিও ও ওসির নেতৃত্বে ব্লকে থাকা ১৮ টি হিমঘরে হানা দেওযা হয়। কত আলু কার নামে রয়েছে তার তালিকা হিমঘর থেকে নিয়েছে প্রশাসন। এদিকে আলুর দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিঙ্গুর নান্দা হাটতলায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি।









