
কলকাতায় রেকর্ড বর্ষণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুও হয়েছে ১০ জনের। আর এই ঘটনায় সরাসরি সিইএসসি-কে দুষেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তারপরই বিবৃতি দিয়ে সিইএসসি মুখ্যমন্ত্রীর সব অভিযোগই খণ্ডন করেছে। সিইএসসি-র বক্তব্য, দয়া করে মনে রাখবেন যে রাস্তার আলোর খুঁটি এবং ট্র্যাফিক লাইটগুলি সিইএসসি-র মালিকানাধীন, রক্ষণাবেক্ষণ বা পরিচালনার বিষয় নয়। এগুলি নিয়ে সিইএসসি-কে কাজ করে না। একই সঙ্গে এও জানান হয়েছে, যেসব এলাকায় তাদের সংস্থার বিদ্যুৎ সরবরাহ হয় তার বেশিরভাগ অংশেই আপাতত বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে। একবালপুরের হোসেন শাহ রোড থেকে নেতাজিনগর, বেনিয়াপুকুর, বেহালা, হরিদেবপুর, গড়ফা, বাঁশদ্রোণী — শহরের বিভিন্ন প্রান্তে একই ছবি। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক মানুষ। গড়িয়াহাটেও উদ্ধার হয়েছে এক দেহ।
এই অবস্থায় সিইএসসি-র ওপর শুধু দায় চাপিয়েই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী, মৃতদের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার দাবি জানান। তবে সিইএসসি-র বিবৃতিতে স্পষ্ট, এই অভিযোগকে তারা মান্যতা দিচ্ছে না।









