
বিহারের পুর্ণিয়া জেলায় এক নর্তকীকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ্যপান করানোর পর ছ’জন মিলে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। মত্ত এক অভিযুক্তের ফোন থেকেই ১১২ নম্বরে ডায়াল করেন নির্যাতিতা।
পরে পুলিশ এসে একটি গুদামের ভিতর থেকে নর্তকীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক।পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে ওই নর্তকীকে অপহরণ করেন দু’জন। তার পর তাঁকে গাড়ি করে ২৫ কিলোমিটার দূরে একটি গুদামে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে আগে থেকে আরও চার জন হাজির ছিলেন।পরিত্যক্ত সেই গুদামে নর্তকীকে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ্যপান করানো হয় বলে অভিযোগ।তাঁকে নাচতে বাধ্য করানো হয়।তার পর তাঁকে একের পর এক ছ’জন মিলে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। তাঁকে মারধর করা হয় বলেও দাবি নির্যাতিতার।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, নর্তকীকে গণধর্ষণ এবং মারধরের পর গুদামে আটকে রেখে পাঁচ অভিযুক্ত পালান। তবে আর এক অভিযুক্ত এতটাই মত্ত ছিলেন যে,তিনি গুদামেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। নির্যাতিতার দাবি, মত্ত অভিযুক্তের ফোন নিয়ে ১১২ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান।সঙ্গে ঠিকানাও।সেই খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল গুদামে পৌঁছোয়। রাত তখন সওয়া ১২টা।
সূত্রের খবর, গুদামের দরজা ভেঙে গুরুতর জখম অবস্থায় নর্তকীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় মত্ত অভিযুক্তকে।









