গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

34 C
Kolkata
34 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle হিমোফিলিয়া : লক্ষণ ও প্রতিকার

    হিমোফিলিয়া : লক্ষণ ও প্রতিকার

    0
    13
    ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    শরীরের কোথাও কেটে গেলে সাধারণত কিছুক্ষণের মধ্যেই রক্ত জমাট বেঁধে যায়। কিন্তু যদি দেখা যায় ওষুধ বা ব্যান্ডেজ ব্যবহারের পরেও রক্তপাত বন্ধ হচ্ছে না,তবে বিষয়টি চিন্তার।

    চিকিৎসার পরিভাষায় একে বলা হয়,হিমোফিলিয়া। এটি একটি জটিল বংশগত রোগ, যা সময়মতো শনাক্ত না করলে প্রাণসংশয়ের কারণ হতে পারে।রক্ত জমাট বাঁধার জন্য শরীরে কিছু বিশেষ প্রোটিন থাকে,যাদের ,ক্লটিং ফ্যাক্টর বলা হয়।আসলে হিমোফিলিয়া রোগীদের শরীরে এই ফ্যাক্টর-৮ এবং ফ্যাক্টর-৯ প্রোটিনের অভাব থাকে। ফলে সামান্য আঘাতেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হতে চায় না।এটি শুধু শরীরের বাইরে নয়, শরীরের ভেতরেও রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে, যা পরবর্তীকালে লিভার বা কিডনির মতো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল করে দেয়।ওদিকে,হিমোফিলিয়া আছে কি না তা বোঝার জন্য লক্ষণগুলো খেয়াল করতে হবে।যেমন,অস্বাভাবিক রক্তপাত,সামান্য কাটাছেঁড়া থেকে দীর্ঘক্ষণ রক্ত পড়া।কালশিটে পড়া,বড় কোনো আঘাত ছাড়াই শরীরে কালচে বা নীলচে ছোপ পড়া।গাঁটে ব্যথা,হাঁটু, কনুই বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া এবং তীব্র যন্ত্রণা হওয়া। মাড়ি ও নাক দিয়ে রক্ত পড়া,ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত বের হওয়া বা ঘন ঘন নাক দিয়ে রক্ত পড়া।এবং মল-মূত্রের সঙ্গে রক্তপাত, দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা এবং বমি ভাব।এদিকে,হিমোফিলিয়া পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়, তবে সঠিক চিকিৎসায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায়।সাধারণত মহিলারা এই রোগের বাহক হন এবং পুরুষরা এতে বেশি আক্রান্ত হন। আক্রান্তদের নিয়মিত নির্দিষ্ট প্রোটিন ইনজেকশন দিতে হয়।

    এছাড়া, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না। খেলাধুলা বা পরিশ্রমের কাজে অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন। দাঁত ও মাড়ির নিয়মিত যত্ন নিন। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক কালশিটে দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।