
মাইক্রোপ্লাস্টিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। কারণ এগুলো শেষ পর্যন্ত নদী ও মহাসাগরে গিয়ে মেশে, জ্যান্ত প্রাণীর দেহে জমা হয় ও পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে ব্যাহত করে।
এসব মাইক্রোপ্লাস্টিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।এদিকে মাইক্রোপ্লাস্টিক সম্পর্কে ভালভাবে বোঝার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এগুলো কীভাবে জলেতে চলাচল করে, তা অনুমান করা।বিশেষ করে পাতলা ফাইবারের বেলায়, যার মাধ্যমে সামুদ্রিক জীব সংশ্লিষ্ট অর্ধেকের বেশি দূষণ ঘটে। উত্তাল জলেতে এইসব ফাইবার অপ্রত্যাশিত আচরণ করে। ফলে, বিজ্ঞানীদের পক্ষে এদের গতিবিধি অনুমান করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।তবে, ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি’র গবেষকরা এইসব ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা গবেষণায় যুগান্তকারী অগ্রগতি দেখিয়েছেন, যেখানে তারা উচ্চগতির ক্যামেরা ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত জলের চ্যানেলে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার গতিবিধি ধারণ ও বিশ্লেষণ করেছেন।বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নোরিজ বলছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তা বোঝার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এ গবেষণাটি।এমনকি বিশ্বের মহাসাগর ও নদীতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের গতিবিধি অনুমানে নতুন মডেল বিকাশের সম্ভাবনাও আছে এতে।গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ফিজিক্যাল রিভিউ লেটারস-এ।উল্লেখ্য জলেতে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার গতিবিধির ওপর যে বিষয়গুলো প্রভাব ফেলে, তার মধ্যে রয়েছে এদের আকৃতি ও বিচরণ করার ধরন।









