
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আটকে পড়া নভোচারীদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বা তাদের কী হবে তা অনিশ্চিত বলে জানিয়েছে নাসা।যুদ্ধ ও যাত্রীবাহী এয়ারক্রাফটের মার্কিন নির্মাতা কোম্পানি বোয়িং সম্প্রতি নাম লিখিয়েছে মহাকাশযান নির্মাণে।
এদেরই স্টারলাইনার নভোযান চলতি বছরের ৫ জুন প্রথমবারের মতো মহাকাশ স্টেশনে যাত্রা করে। এতে অংশ নেন ব্যারি উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামস।কেবল আট দিনের অভিযানে দুই নভোচারী মহাকাশ স্টেশনে গেলেও ৭১ দিন পেরিয়ে গেছে এরইমধ্যে।উৎক্ষেপণের আগে, উৎক্ষেপণের সময় ও পরে,প্রতিটি ক্ষেত্রে সমস্যায় মুখে পড়েছে স্টারলাইনার। এর মানে হচ্ছে দুই নভোচারীকে ফেরানোর পরিল্পনায় পরিবর্তন এনেছে নাসা।এখন নাসা বলছে, নভোচারীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে তারা কী করবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এক্ষেত্রে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন কোম্পানি স্পেসএক্স-এর,ক্রু ড্রাগন মহাকাশযানে করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার যৌক্তিক সম্ভাবনা আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।দুই নভোচারীর স্টারলাইনার রকেটে করে দেশে ফেরা নিরাপদ হবে কিনা তা খতিয়ে দেখতে এখনও তথ্য সংগ্রহ করে চলেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি। আগামী সপ্তাহের শেষে বা তার পরের সপ্তাহের শুরুতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে নাসা।এর আগে নাসা বলেছিল, অগাস্টের মাঝামাঝি সময়ে দুই নভোচারীর পৃথিবীতে ফিরিরে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে নাসা। তবে তারা কবে নাগাদ ফিরে আসবেন সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আর যত সময় যাচ্ছে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া ততই কঠিন হয়ে পড়ছে।এর পরিবর্তে স্পেসএক্সের ফ্লাইট ব্যবহার করার মানে হচ্ছে, তাদের আট দিনের মিশনকে আট মাস দীর্ঘ করা। তবে নাসা জোর দিয়ে বলেছে, আইএসএস-এ একাধিক দীর্ঘ সময়ের মিশন করেছে তারা।যার মধ্যে এক বছর মেয়াদের মিশনও আছে। আর এই ধরনের দীর্ঘ মিশন সম্পর্কে সংগৃহীত ডেটার উপর নির্ভর করেই দুই নভোচারীর নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করবে সংস্থাটি।









