
ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে,নতুন শুল্ক কাঠামো বা ট্যারিফ আর্কিটেকচার নির্ধারিত হলেই দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে সই করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রের বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তির নানা সূক্ষ্ম বিষয় নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।এই মুহূর্তে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, নতুন শুল্ক কাঠামো কার্যকর হওয়ার পরেই ভারত–আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির আনুষ্ঠানিক সইসাবুদ সম্পন্ন হবে। একইসঙ্গে,আগামী কয়েক সপ্তাহে রফতানিতে কিছুটা চাপ তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বাণিজ্য সচিব। বিশেষ করে মার্চ মাসে গতি কিছুটা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ পশ্চিম এশিয়ায় চলা সামরিক উত্তেজনা, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে বিঘ্ন ঘটছে।সরকারের এই মন্তব্য সামনে আসে দেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান প্রকাশের পর। তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের পণ্য রফতানি সামান্য কমেছে।ফেব্রুয়ারিতে ভারতের রফতানি দাঁড়িয়েছে ৩৬.৬১ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ০.৮১ শতাংশ কম।অন্যদিকে আমদানির ক্ষেত্রে দেখা গেছে বড় উত্থান।
ফেব্রুয়ারিতে ভারতের আমদানি বেড়ে হয়েছে ৬৩.৭১ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগে ছিল ৫১.৩৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বছরে ২৪.১১ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে আমদানিতে।এর ফলে ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭.১ বিলিয়ন ডলার।যদিও ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানিতে সামান্য পতন দেখা গেছে, তবু সামগ্রিকভাবে ভারতের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে বলেই দাবি সরকারের। বাণিজ্য সচিবের মতে, বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারতের রফতানি মোটের উপর স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে।









