
কালীগঞ্জে নিহত তামান্নার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার। বাড়ির দেওয়ালে আঁকা তামান্নার হাতের ছবি। মেঝেতে চুপ করে বসে রয়েছেন তামান্নার বাবা।
পাশে মা সাবিনা ইয়াসমিন। জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারকে দেখে প্রথমে ঘটনার দিনের কথা শান্ত ভাবেই বলছিলেন তিনি। শেষে তাঁর সামনেই কেঁদে উঠেছেন নিহতের মা। এদিন অর্চনা মজুমদারের সঙ্গে কথা বলার সময় তামান্নার মায়ের মুখে বারবার উঠে এসেছে মেয়ের ফুলগাছের শখের কথা। ঘটনার দিনও মা-মেয়ে বসে ফুল গাছ লাগাচ্ছিলেন। তারপর মেয়েকে সাঁতার শেখাবেন বলে নিয়ে যাচ্ছিলেন কাছের একটি পুকুর ঘাটে। সাবিনা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই পটকা ফাটার শব্দ কানে এসেছিল তাঁর। তবে তাতে ভয় পাননি তিনি। বিন্দুমাত্র আন্দাজ করতে পারেননি যে এমন অঘটন ঘটবে। সাবিনার কথায়, মেয়েকে নিয়ে যখন তিনি যাচ্ছিলেন উল্টো দিক থেকে আসছিল দুষ্কৃতীরা। বেশ কয়েকজন ছিল, যাঁদের নাম এফআইআর- এ উল্লেখ রয়েছে। একজনের হাতে ছিল ব্যাগ। কিন্তু সেই ব্যাগে যে বোমা রয়েছে, আর তা তামান্নাকে লক্ষ্য করে মারা হবে, দুঃস্বপ্নেও এমনটা কল্পনা করেননি সাবিনা। তিনি বলেছেন, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়েই বোমা মারা হয় তাঁকে এবং মেয়েকে লক্ষ্য করে। চোখের সামনে বোমার আঘাতে মেয়েকে ছিন্নভিন্ন হয়ে যেতে দেখতে হয়েছে সাবিনাকে।
তামান্নার মার কাছ থেকে সেদিন কার হাড় হিম করা ঘটনার বর্ণনা শোনার পর তারসঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন অর্চনা মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, সমস্ত বিষয়বস্তু নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ’কে জানাবেন ।








