
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের আড়ালে সেক্স র্যাকেট। সোদপুরের তরুণীর ওপর অত্যাচারের ঘটনায় এবার প্রকাশ্যে ফুলটুসির কীর্তি। স্থানীয়দের দাবি ছেলে আরিয়ান ও তার মা শ্বেতা খান একাধিক দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার পর থেকেই এলাকাছাড়া।
আরিয়ানের মা শ্বেতা খান এলাকায় ফুলটুসি নামে পরিচিত। তাঁর একটি প্রোডাকশন হাউসও ছিল। স্থানীয়দের দাবি ওই প্রোডাকশন হাউসের আড়লে সফট পর্নোগ্রাফি শু্যট হত, সেক্স র্যাকেট চালাতেন মা-ছেলে। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীদের জোর করে বার ডান্সার, মধুচক্রে নামানোর কাজ করত। সোদপুরের বছর ২৩-র তরুণীর সোশ্যাল মিডিয়ায় আরিয়ান খানের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাঁকে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজের নামে ডোমজুড়ে ডেকে পাঠায়। ৩১ ডিসেম্বর বাঁকড়ায় গেলে তরুণীর মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর সেখানে একটি ফ্ল্যাটে ৫ মাস আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয় তরুণীকে। মাথার চুল এবড়োখেবড়ো করে কাটা। সারা মুখে কালশিটে। আঘাতের চোটে দুটো চোখ ফুলে গিয়ে প্রায় বন্ধ। সঙ্কটজনক অবস্থায় নির্যাতিতাকে কামারহাটির সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। তরুণীর দাবি বার ডান্সারের কাজ করার জন্য তালিম দেওয়া হবে বলে জানানো হলে তিনি রাজি হননি। এরপরেই তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়। কোনওক্রমে ৬ জুন ডোমজুড় থেকে পালিয়ে আসে সোদপুরের তরুণী।
স্থানীয়রাও জানিয়েছেন শ্বেতা ওরফে ফুলটুসি বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাতবিরেতে লোকজন আসত তাঁদের ফ্ল্যাটে। পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে পাড়ার কয়েকজন ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দেয় শ্বেতা ও তার ছেলে।









