
সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি, তারমধ্যেই হাসনাবাদে বিজেপি নেতার ভাইয়ের বাড়িতে বিস্ফোরণ নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। হাসনাবাদে কেন সিবিআই, এনএসজি যাবে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।
তখন বিজেপির দাবি সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার গতিমুখ ঘোরাতে তৃণমূলের লোকজনই বোমা রেখে ষড়যন্ত্র করছে। রাতেই বিস্ফোরণস্থলে গিয়েছে সিআইডির গোয়েন্দারা । বাড়িজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছেন তারা। এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ পরিবারের লোকজনকে বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ অথচ বাইরের লোকজন সিল করা বাড়িতে ঢুকছে। জানা গিয়েছে শনিবার সকালে হাসনাবাদের শিমুলিয়া গ্রমে বিজেপি নেতা নিমাই দাসের ভাই দিলীপ দাসের বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের আওয়াজে দিলীপ দাসের স্ত্রী পুকুরে ঝাঁপ দেয়। সামান্য আহত হন তিনি। এরপরেই পুলিশ গিয়ে দিলীপ দাস এবং তাঁর স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। রাতে ওই বাড়িতে পৌঁছয় সিআইডি। দিলীপ দাসের একটি বন্ধ ঘরে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন নিমাই দাস বিজেপির পরিচিত মুখ। তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে এবার কি সেখানে সিবিআই, এনএসজি যাবে। জবাবে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধারের গতিমুখ ঘোরাতেই তৃণমূলই ষড়যন্ত্র করছে। তা না হলে একজন সন্ত মানুষের বাড়িতে কিভাবে বোমা পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেছেন যে নিমাই দাস এবং তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে বিস্ফোরণ নিযে তৃণমূল মাতামাতি করছে, সেই নিমাই দাস কোভিডকালে এলাকার মানুষের জন্য কি কাজ করেছে সেটা সবাই জানে। তাঁর বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা স্থানীয় তৃণমূলের লোকজনই মানতে পারছে না বলে দাবি করেছেন শর্মীক ভট্টাচার্য ।









