
নিজেদের কর্মদক্ষতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে এখন তৈরি হচ্ছে মানুষের হুবহু এআই ভার্সন বা ডিজিটাল টুইন।রিচার্ড স্কেলেল্টের ডিজিটাল রিচার্ড থেকে শুরু করে বড় বড় কোম্পানির সুপারওয়ার্কার তৈরির এ প্রবণতা কর্মক্ষেত্রে বিপ্লব আনলেও এর মালিকানা ও আইনি দায়বদ্ধতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
উল্লেখ্য ডিজিটাল রিচার্ড হচ্ছে একটি এআই টুইন, যা রিচার্ড স্কেলেল্ট গত তিন বছর ধরে তৈরি করছেন।স্ক্রিনের ভেতরে সীমাবদ্ধ ডিজিটাল রিচার্ডকে দেখতে অনেকটা দ্বিমাত্রিক মনে হলেও সে কোনো সাধারণ চ্যাটবট নয়।রিচার্ড স্কেলেল্ট যা কিছু জানেন তার সবকিছুই ডিজিটাল রিচার্ড জানে। এ ডিজিটাল টুইন ,স্মল ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল হিসেবে তৈরি হয়েছে, যা রিচার্ডের যাবতীয় মিটিং, কল, নথিপত্র ও প্রেজেন্টেশন বিশ্লেষণ করতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছে।এরপর রিচার্ডের চিন্তাধারা ও সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি অনুসরণের জন্য একে আরও উন্নত বা রিফাইন করা হয়েছে। এর চূড়ান্ত রূপটি হচ্ছে,একটি টেক্সটভিত্তিক উইন্ডো, যার সঙ্গে স্কেলেল্ট পরামর্শ করতে পারেন।ডিজিটাল রিচার্ড স্কেলেল্টকে তার ব্যক্তিগত জীবন সামলাতেও সাহায্য করে। এতে,ফ্যামিলি এবং অ্যাডমিন লেবেলওয়ালা আলাদা ট্যাব রয়েছে, যা তার সহকর্মীদের ব্যবহারের জন্য ওপেন নয়।
তবে সহকর্মীরা চাইলে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ডিজিটাল রিচার্ডকে প্রশ্ন করার সুযোগ পান।ডিজিটাল রিচার্ড এখন এক ব্লুপ্রিন্ট বা আদর্শ হিসেবে কাজ করছে,যার ওপর ভিত্তি করে ব্রিটেন,ইউরোপ, আমেরিকা ও ভারতে ছড়িয়ে থাকা ব্লর রিসার্চ-এর ৫০ সদস্যের পুরো দলের জন্য ডিজিটাল টুইন তৈরি করা হয়েছে।যেমন, একজন অ্যানালিস্ট যিনি অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তিনি তার ডিজিটাল টুইনকে কাজের ভার দিয়ে পর্যায়ক্রমে অবসর নিতে পারছেন।









