
ফুটবলের আইকন এবং সমাজসেবক ডেভিড বেকহ্যাম সম্প্রতি ভারতে একটি ইনস্টাগ্রাম ইভেন্টে যোগ দিয়েছিলেন। ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিশুদের জীবন পরিবর্তনে কাজ করছেন তিনি।
মুম্বাইয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বেকহ্যামের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু এবং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের কন্টেন্ট নির্মাতারা।এই প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে কীভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায় এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়, সেই বিষয়েই আলোচনা করেন তিনি।উল্লেখ্য বেকহ্যাম বারবারই তার ইউনিসেফের কাজকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, শিশুদের নিরাপত্তা এবং পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার ব্যক্তিগত দর্শনের মূল কথা তুলে ধরে তিনি জানিয়েছেন, তার বাবা-মা তাকে কঠোর পরিশ্রম করতে এবং বিনয়ী হতে শিখিয়েছেন, আর তার ফুটবল ম্যানেজার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন তাকে শিখিয়েছেন কখনো দেরি না করতে।পাশাপাশি,আমেরিকায় ফুটবলকে নতুন মাত্রা দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি ইন্টার মায়ামি ক্লাবের মালিকানা নিয়ে নিজের যাত্রার কথাও বলেছেন।তিনি স্বীকার করেছেন, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কিন্তু সফল হবেন এমন বিশ্বাসও ছিল। বিশেষ করে লিওনেল মেসির যোগদানের পর খেলার মান নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে তিনি মনে করেন।
একজন খেলোয়াড় বা মালিক হিসেবে ট্রফি জেতার অনুভূতির পার্থক্য নিয়ে বেকহ্যাম বলেছেন, জয়ী হওয়ার আনন্দটা একই কিন্তু একজন মালিক হিসেবে খেলা দেখা অনেক বেশি হতাশার হতে পারে, কারণ তখন তিনি মাঠে নেমে কিছু করতে পারেন না।









