
চূড়ান্ত তালিকায় বিবেচনাধীন। তাতেই আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তির বাসিন্দা রফিক আলি গাজি। পরিবারের অভিযোগ তেমনই। জানা গিয়েছে বছর ৪৪-র রফিক আলি গাজির এসআইআর নোটিস আসার পর শুনানিতেও গিয়েছিলেন।
পরিবারের দাবি সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পরেও তাঁর নাম চূড়ান্ত তালিকায় বিবেচনাধীন রয়েছে। এরপর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন। পরিবারের লোকজন বারবার বঝিয়েছেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে আত্মহত্যা করেন রফিক। পরে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকেই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রফিকের স্ত্রী। ময়নাতদন্তের পর দেহ নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনকে নির্যাতন কমিশন বলে আক্রমণ করেছে তৃণমূল। এসআইআরে তৃণমূলের মৃত্যু হয়ে গিয়েছে। তাই যে কোনও মৃত্যুকেই এসআইআর-র মৃত্যু বলে চালাচ্ছে।এদিকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় জলপাইগুড়িতে মোমো বিক্রেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। গৌরাঙ্গ দে ফুটপাথে মোমো বিক্রি করতেন।
জানা গিয়েছে পরিবারের সবার নাম থাকলেও জলপাইগুড়ির নয়াবস্তির বাসিন্দা ৬২ বছরের গৌরাঙ্গ দে-র নাম ছিল না। তারপর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বাড়ির বাথরুম থেকে গৌরাঙ্গ দে-র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।









